ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
২৮ জুলাই ২০২৪: ডিবি কার্যালয়ে ছয় সমন্বয়কের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা—যে ঘটনা জন্ম দিয়েছিল ব্যাপক বিতর্ক বিশ্বকাপে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর খেলা নিয়ে রোনালদো নাজারিওর কড়া মন্তব্য প্লাস্টিকের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঐতিহ্য, টিকে থাকার লড়াইয়ে কুমোরশিল্প ঈদে ১০ লাখ টাকার বরাদ্দের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করলেন এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ বিশ্বের ট্রাভেল ও পর্যটনকে হাতের মুঠোয় এনেছে ওটিএ কমেছে সড়ক বেড়েছে মামলা, কমেনি দুর্ঘটনা কোভিড, নন-কোভিড দুই সেবাই চলবে মুগদা হাসপাতালে করোনার মধ্যেই ঘুরতে পারেন বিশ্বের যেসব শহরে দুবাই প্রবাসীদের জন্য বিমানের দুইটি অতিরিক্ত ফ্লাইট প্রাথমিক শেষ না হতেই শিশু শ্রমিক!

প্লাস্টিকের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঐতিহ্য, টিকে থাকার লড়াইয়ে কুমোরশিল্প

মোহাম্মদ রায়হান হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে রাতের কোলাহলের মাঝেই ফুটে উঠেছে এক নীরব বাস্তবতা—মাটির তৈরি ঐতিহ্যবাহী পণ্যের অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। ছবিতে দেখা যায়, এক ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা ঠেলাগাড়িতে সাজিয়ে রেখেছেন মাটির হাঁড়ি-পাতিল, কলস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী। আশপাশে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও আগের মতো চাহিদা আর নেই বলে জানান বিক্রেতারা।

প্লাস্টিকের সহজলভ্যতা, কম দাম এবং টেকসই ব্যবহারের কারণে মানুষ এখন ঝুঁকছে আধুনিক সামগ্রীর দিকে। ফলে প্রাচীন কুমোরশিল্প ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চল থেকেই। একসময় যে মাটির পাত্র ছাড়া রান্না-বান্না কল্পনাই করা যেত না, আজ তা শুধুই স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের কাছে।
বিক্রেতাদের অভিযোগ, কাঁচামালের দাম বেড়েছে, পরিশ্রমও বেশি, কিন্তু বিক্রি কমে যাওয়ায় জীবিকা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার আশায় তারা এখনো পথে পথে ঘুরে পণ্য বিক্রি করছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিবেশবান্ধব এই মাটির পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সরকারি সহায়তা জরুরি। নচেৎ প্লাস্টিকের আগ্রাসনে হারিয়ে যাবে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী কুমোরশিল্প।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

২৮ জুলাই ২০২৪: ডিবি কার্যালয়ে ছয় সমন্বয়কের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা—যে ঘটনা জন্ম দিয়েছিল ব্যাপক বিতর্ক

প্লাস্টিকের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঐতিহ্য, টিকে থাকার লড়াইয়ে কুমোরশিল্প

আপডেট সময় ০৯:১১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মোহাম্মদ রায়হান হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে রাতের কোলাহলের মাঝেই ফুটে উঠেছে এক নীরব বাস্তবতা—মাটির তৈরি ঐতিহ্যবাহী পণ্যের অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। ছবিতে দেখা যায়, এক ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা ঠেলাগাড়িতে সাজিয়ে রেখেছেন মাটির হাঁড়ি-পাতিল, কলস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা সামগ্রী। আশপাশে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও আগের মতো চাহিদা আর নেই বলে জানান বিক্রেতারা।

প্লাস্টিকের সহজলভ্যতা, কম দাম এবং টেকসই ব্যবহারের কারণে মানুষ এখন ঝুঁকছে আধুনিক সামগ্রীর দিকে। ফলে প্রাচীন কুমোরশিল্প ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চল থেকেই। একসময় যে মাটির পাত্র ছাড়া রান্না-বান্না কল্পনাই করা যেত না, আজ তা শুধুই স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে অনেকের কাছে।
বিক্রেতাদের অভিযোগ, কাঁচামালের দাম বেড়েছে, পরিশ্রমও বেশি, কিন্তু বিক্রি কমে যাওয়ায় জীবিকা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার আশায় তারা এখনো পথে পথে ঘুরে পণ্য বিক্রি করছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিবেশবান্ধব এই মাটির পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সরকারি সহায়তা জরুরি। নচেৎ প্লাস্টিকের আগ্রাসনে হারিয়ে যাবে আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী কুমোরশিল্প।